মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুরু

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুরু

এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পু ,কুড়িগ্রাম

বহুল প্রত্যাশিত কুড়িগ্রামবাসীর স্বপ্নের কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম এবছর চালুর প্রত্যাশা থাকলেওঅনুমোদন না মেলায় চলতি শিক্ষাবর্ষে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ.কে.এম. জাকির হোসেন। এ বিষয়ে

তিনি বলেন, ‘এ বছর নয়, পরের সেশনে ভর্তি শুরু হবে। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে সেভাবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।’

এর আগে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০২২-২০২৩) ভর্তি শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন উপাচার্য জাকির হোসেন। সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পরিকল্পনা জমা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইউজিসির কাছে ইতোমধ্যে কোর্স কারিকুলাম ও কন্টেন্ট জমা দিয়েছি। গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় আগামী বছর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একযোগে আমাদেরও ভর্তি শুরু হবে। সরকার সেভাবেই অনুমোদন দিয়েছে।’

বন্ধ থাকা কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস চত্বরকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস ক্যাম্পাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য পাওয়া গেছে। ভর্তি ও পাঠদান শুরুর আগে কিছু সংস্কার কাজ করে সেখানে ক্যাম্পাস চালু করবো।’

প্রথম বছর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি কিংবা তিনটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানান উপাচার্য। প্রতিটি বিষয়ে ৩০টি করে আসন থাকবে। তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে আমরা প্রথম বছর ফিশারিজ এবং এগ্রিকালচার এই দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলাম। এখন তা পিছিয়ে যাওয়ায় আরও একটি বিভাগসহ মোট তিনটি বিভাগ চালু হতে পারে।’

২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে সংসদে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২১’ পাস হয়। এদিকে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে নানান জল্পনা কল্পনা থাকলেও সকলের প্রত্যাশিত নালিয়ার দোলা নামক স্থানেই বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন হবে বলে উপাচার্য জানান।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |